লাকি লুক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লাকি লুক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ডিসেম্বর ০১, ২০১৭

Post #০৩১ লাকি লুক_পশ্চিম আকাশের নিচে # ০৩_ অন্তিম পর্ব


গত সপ্তাহে আপনারা পড়েছিলেন লাকি লুকের চতুর্থ অ্যালবামের প্রথম গল্প...

আজকে চিত্রচোরে লুকের শেষ দিন। আপনাদের ভালো লাগলে লুক আবার আসবে জানিয়েছে। আজ আপনারা পড়বেন লুকের সম্পূর্ণ চতুর্থ অ্যালবাম। আগের দিন আমরা জেনেছিলাম লুকের বাংলা অনুবাদের কিছু বৈশিষ্ট্য, আজ আমরা লুকের স্রষ্টাদের সম্পর্কে নতুন কিছু জানব।

চলুন শুরু করা যাক...

লাকি লুকের স্রষ্টা মরিস

মরিস : Maurice De Bevere এর ছদ্মনাম হিসেবে নামের প্রথম শব্দটি ব্যবহার করতেন বেলজিয়ামের বিখ্যাত এই কার্টুনিস্ট। বেলজিয়ামের Kortrijk শহরে ১৯২৩ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। অ্যালাস্টের বিখ্যাত জেস্যুট কলেজ থেকে তিনি পড়াশুনা করেন, সেখানের পোশাক থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লাকি লুকের পোশাকের আইডিয়া তাঁর মাথায় আসে। মরিস গণিতের ক্লাসে, খাতার মার্জিনের ওপরে বিভিন্ন হিজিবিজি ছবি এঁকে ক্লাসগুলো কাটিয়ে দিতেন, এই দেখে তাঁর গণিতের শিক্ষক মরিসের বাবা-মা’কে ডেকে একবার বলেছিলেন, “এ ছেলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার, ও কখনোই জীবনে সাফল্য পাবে না।” পরবর্তীতে মরিস Compagnie Belge d'Actualités (CBA) নামের একটি স্বল্প-আয়ুর অ্যানিমেশান স্টুডিয়োতে ছবি আঁকার কাজ শুরু করেন, সেখানেই পরিচয় হয় Peyo আর André Franquin এর সাথে। যুদ্ধের পরে কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায় আর মরিস ইলাস্ট্রেটর হিসেবে Het Laatste Nieuws নামের একটা ফ্লেমিস সংবাদপত্রে কাজ শুরু করেন। আর পাশাপাশি চলতে থাকে Le Moustique নামের এক ফরাসি ভাষার সাপ্তাহিক ম্যাগাজিনের কাজ। এই ম্যাগাজিনের প্রকাশনা সংস্থা ছিল Dupuis, দ্যুপের হয়ে তিনি ২৫০-র অধিক প্রচ্ছদ আর ইলাস্ট্রেশান করেছিলেন, তার বেশিরভাগই ছিল বিভিন্ন চলচ্চিত্র তারকাদের ক্যারিকেচার।

লুকের প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৪৬ সালের স্পিরু ম্যাগজিনে। প্রকাশনা সংস্থা সেই Dupuis। ফ্রান্সে হার্জের বিখ্যাত টিনটিন ম্যাগাজিন ছিল স্পিরুর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী। লুকের প্রথম অভিযান অ্যারিজোনা ১৮৮০, L'Almanach Spirouতে প্রকাশিত হয় সেটা ৭ই ডিসেম্বর ১৯৪৬ এ মুক্তি পেয়েছিল। মরিস স্পিরুর প্রধান চারজন আর্টিস্টের একজন হয়ে ওঠেন বেশ তাড়াতাড়ি। এই চার শিল্পীর যুগলবন্দীকে "La bande des quatre" বলা হত, বাকি তিনজন ছিলেন Jijé, André Franquin আর Will।

লুক আর মরিস পাশাপাশি, মরিস ছবি আঁকায় ব্যস্ত।

চারজনে বেশ ভালো বন্ধু ছিলেন, প্রত্যেকে পরস্পরকে সাহায্য করতেন। মরিস একক প্রচেষ্টায় লুককে নিয়ে ৯টি কমিক অ্যালবাম বানান, সেগুলোর সব ক’টি Dupuis থেকেই প্রকাশিত হয়। এরপর মরিস অ্যাসটেরিক্সের স্রষ্টা রেনে গসিনির সাথে গাঁটছড়া বাঁধেন। এই দুজনের যুগলবন্দীতে সৃষ্টি লুকের অভিযানগুলি আরও বেশি সফলতা পায়। আমাদের বাংলায় পড়া লুকের অফিসিয়াল চারটে কমিক্স অ্যালবাম এই জুটির সৃষ্টি। এনাদের সময়কালকে এই সিরিজের স্বর্ণযুগ হিসাবে গণ্য করা হয়। ১৯৫৭ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত গসিনি আর মরিস দু’জনে লাকি লুকের ২২টি অভিযানের সৃষ্টি করেন, সেগুলোর সবগুলি Dupuis থেকে প্রকাশিত হয়। ৩১টি অভিযান Dupuis থেকে প্রকাশের পর ষাটের দশকের মাঝামাঝি মরিস Dupuis আর স্পিরু ছেড়ে বন্ধু গসিনির প্রকাশনা সংস্থা দারগো আর পাইলট ম্যাগাজিনে যোগ দেন।

বাঁ দিকে অ্যাসটেরিক্সের আর পাশে লুকের অ্যালবাম হাতে নিয়ে গসিনি আর মরিস।

২০০১ সালে Pulmonary Embolism বা ফুসফুসে রক্ত ক্লট বাঁধায়, বুকের যন্ত্রণায় মরিসের মৃত্যু হয়। মরিসের মৃত্যুর পরেও অনেক শিল্পীরা লুককে বাঁচিয়ে রেখেছেন। লুক এখনও প্রকাশিত হয়।

শিশু সাহিত্য সংসদ থেকে বাংলায় প্রকাশিত চারটি লাকি লুকের কমিক্সগুলিও মরিস আর গসিনির মিলিত সৃষ্টির ফসল।

চতুর্থ অ্যালবামের বাংলা সংস্করণের প্রচ্ছদ

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি :

নাম : Sous le ciel de l'Ouest (আন্ডার এ ওয়েস্টার্ন স্কাই)
লেখক ও চিত্রশিল্পী : মরিস
প্রকাশক : Dupuis
প্রকাশকাল : ১৯৫২
টাইপ : কমিক অ্যালব্যাম

বি. দ্র. : সব বয়সের পাঠকদের পড়ার উপযোগী।

এটি তিনটি গল্পের সংকলন। আপনার জন্য আজ থাকছে সম্পূর্ণ চিত্রচোর সংস্করণ। অনুবাদ যথাসম্ভব আগের লুকের অনুবাদের মতোই সরস রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, বাকিটা আপনারা ভালো বলতে পারবেন। আজ পড়ুন পশ্চিম আকাশের নিচে এর সম্পূর্ণ চিত্রচোর সংস্করণ শুধুমাত্র চিত্রচোর ব্লগে।

বি. দ্র. : এই কমিক্স অ্যালবামটি সব বয়সের পাঠকদের পড়ার উপযোগী। তাই নির্দ্বিধায় পড়ুন ও পড়ান। আর অনুবাদ কেমন হচ্ছে জানাতে ভুলবেন না যেন।

ডাউনলোড করুন [হাই কোয়ালিটি]


ডাউনলোড করুন [মোবাইল কোয়ালিটি]


আগামী সপ্তাহে ইন্দ্রজালের প্রত্যাবর্তন #০২ পড়তে চোখ রাখুন শুধুমাত্র চিত্রচোর ব্লগে...


বাংলায় অনুবাদ ও প্রচ্ছদপট রূপায়ন : রূপক ঘোষ
প্রুফ রিডিং : মোঃ আশিকুর রহমান

রবিবার, নভেম্বর ২৬, ২০১৭

পোস্ট #০৩০ : লাকি লুক এবার চিত্রচোরে... পশ্চিম আকাশের নিচে #০২


গত সপ্তাহে আপনারা পড়েছিলেন লাকি লুকের চতুর্থ অ্যালবামের দ্বিতীয় গল্প...

চতুর্থ অ্যালবামের বাংলা সংস্করণের প্রচ্ছদ

কথামতো আজকেও চিত্রচোরে লুক উপস্থিত। আজ আপনারা পড়বেন লুকের চতুর্থ অ্যালবামের প্রথম গল্প। আগের দিন আমরা লুকের কাহিনীর নেপথ্যের কিছু তথ্য জেনেছিলাম। আজকে আমরা জানবো, লুকের বাংলা অনুবাদের কিছু বৈশিষ্ট্য, আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক :

বাংলায় লুকের গল্পগুলির মধ্যে মাত্র চারটে গল্প প্রকাশিত হয়, শিশু সাহিত্য সংসদ থেকে; তাও নব্বই এর মাঝখানে। সে সময়ে লুকের অ্যালবামগুলি প্রখ্যাত সাহিত্যিকেরা অনুবাদ করলেও তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি এবং মাত্র চারখানি অভিযানের পরেই বাংলায় লুকের পথচলা থেমে যায়। আজ এত বছর পরে সেই সব বইগুলির জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। লুকের প্রকাশ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে, সেই কমিক্স অ্যালবামগুলির আর পুনঃপ্রকাশ হয়নি। এখনো কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়ার পুরনো দোকানে কখনো কখনো কোনও ভাগ্যবান পাঠক ও সংগ্রাহকেরা হঠাৎ খুঁজে পান সেই বইগুলি। আমার নিজের ভাগ্যেও বছর দুয়েক আগে ঘটেছিল সে রকম ঘটনা। চারটে বইয়ের মধ্যে মাত্র দুটো সৌভাগ্যক্রমে আমার হাতে আসে, এখনও বাকি দুটোর সন্ধান চলছে। সে যাই হোক, এবার দেখে নেই কবে থেকে অনুবাদ শুরু হয় ও কে কে কোন অ্যালবামগুলি অনুবাদ করেছিলেন...

শিশু সাহিত্য সংসদ থেকে বাংলায় প্রকাশিত চারটি লাকি লুকের কমিকস্‌ সিরিজের প্রচ্ছদের ছবি

সব্বনেশে জেন : লীলা মজুমদারের অনুবাদে বাংলায় প্রথম লুকের আত্মপ্রকাশ। ১৯৯৪ সালে প্রথম লাকি লুকের অ্যালবাম “সব্বনেশে জেন” বা “Calamity Jane” শিশু সাহিত্য সংসদ থেকে প্রকাশিত হয়। লীলা মজুমদারের অসাধারণ অনুবাদে তিনি আসল রচনার সেই কাউবয়দের ওল্ড ওয়েস্টের সময়কাল, প্রেক্ষাপট ও চরিত্রগুলিকে নিখুঁতভাবে বাংলায় সফল রূপদান করেছিলেন, সেই সঙ্গে ছিল সূক্ষ্ম হাস্যরসের মিশেল। প্রথম অ্যালবামের সব সংলাপগুলো টাইপড্‌ ফন্টেই করা হয়েছিল, আশেপাশের প্রেক্ষাপটের বেশ কিছু সাইনবোর্ড বা লেটারিং এর অংশগুলি হাতে লিখে করা হয়েছিল।

পুরো ডালটন পরিবার এক ফ্রেমে

মা ডালটন, ওয়েস্টার্ন সার্কাস ও ডাল্টনদের ডাক্তার : লীলা মজুমদারের পর এই সিরিজে অনুবাদের দায়িত্ব সামলান হীরেন চট্টোপাধ্যায়। বইগুলি যথাক্রমে ১৯৯৫, ১৯৯৭১৯৯৮ এ প্রকাশ পায়। মা ডালটনে প্রথম চার ডালটন ভায়েদের দেখা মেলে, যাদের নাম লুকের জগতের কুখ্যাত অপরাধীদের মধ্যে সবচেয়ে আগে আসে। এই চার ডালটন ভায়েরা হলেন যথাক্রমে জো, উইলিয়াম, জ্যাক আর অ্যাভারেল। লুক যতবারই এদের ধরে জেলে পোরে, ওরা জেল থেকে পালায়, ডালটন ভাইয়েরা লুকের ফ্যানেদের খুব পছন্দের একটি চরিত্র, মা ডালটন গল্পে ওদের মা এর দেখা পাই আমরা। এরপর বাংলায় আবার ডালটনেরা ফিরে আসে ডালটনদের ডাক্তার গল্পে। সেই গল্পে একজন মনের ডাক্তার ডালটনদের চিকিৎসা করে সুস্থ করার প্রচেষ্টা করেন। আর ওয়েস্টার্ন সার্কাস গল্পে লুক এক অসাধারণ সার্কাস পার্টির মুখোমুখি হয়। হীরেন চট্টোপাধ্যায়ের অনুবাদগুলিতে স্পিচ্ বাবলগুলোতে লেখা সংলাপগুলি পুরোটাই হাতে লিখে করা হত, যা অনুবাদে একটি আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছিল। হাতে লেখাগুলি লিখেছিলেন প্রণব সিকদার।

হারিয়ে যাওয়া এই কমিকস অ্যালবামগুলি নেটে পাওয়া যায়। পাঠকদের পড়ার ইচ্ছে থাকলে সেগুলো পরবর্তীতে এখানেও শেয়ার করা যেতে পারে...

আজ আমরা যে গল্পটা পড়তে চলেছি সেটা মরিসের একক প্রচেষ্টার চতুর্থ অ্যালবাম “Under a Western Sky” থেকে নেওয়া হয়েছে।

এটি তিনটি গল্পের সংকলন। আপনার জন্য আজ থাকছে তার মধ্যের প্রথম গল্পটি। অনুবাদ যথাসম্ভব আগের লুকের অনুবাদের মতোই সরস রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, বাকিটা আপনারা ভালো বলতে পারবেন। আজ পড়ুন পশ্চিম আকাশের নিচে এর দ্বিতীয় পর্ব শুধুমাত্র চিত্রচোর ব্লগে—



বি. দ্র. : এই কমিক্স অ্যালবামটি সব বয়সের পাঠকদের পড়ার উপযোগী। তাই নির্দ্বিধায় পড়ুন ও পড়ান। আর অনুবাদ কেমন হচ্ছে জানাতে ভুলবেন না যেন।


ডাউনলোড করুন


আগামী সপ্তাহে “পশ্চিম আকাশের নিচে” এর তৃতীয় পর্ব পড়তে চোখ রাখুন শুধুমাত্র চিত্রচোর ব্লগে...


বাংলায় অনুবাদ ও প্রচ্ছদপট রূপায়ন : রূপক ঘোষ
প্রুফ রিডিং : মোঃ আশিকুর রহমান
বিশেষ সহায়তা : প্রতীক চক্রবর্তী

শুক্রবার, নভেম্বর ১০, ২০১৭

Post #০২৯ লাকি লুক এবার চিত্রচোরে...পশ্চিম আকাশের নিচে # ০১



আমাদের সঙ্গে লুকের কথা হয়েছিলো গত সপ্তাহে ...লুক জানিয়েছিল আসবে আর চিত্রচোর থেকে ঘুরে যাবে। সেইমতো লুক কথা রেখেছে, তাই তার অসংখ্য ধন্যবাদ।এখন কয়েক সপ্তাহ উনি আমাদের সঙ্গেই থাকবেন।




সে যাহোক এবার জেনে নেওয়া যাক লাকি লুকের গল্পের পেছনের কিছু ইতিহাস...






চতুর্থ অ্যালবামের ইংরাজি সংস্করনের প্রচ্ছদ
লাকি লুক একটা ওয়েস্টার্ন কমিক্স সিরিজ। বেলজিয়ান কার্টুনিস্ট মরিস ১৯৪৬ এ লুকের সৃষ্টি করেন। মরিস প্রথমে নিজেই গল্প লেখা আর আঁকার কাজ দুটোই করতেন,১৯৫৫ সালে উনি অ্যাসটেরিক্স এর সহ স্রষ্টা রেনে গোসিনির সাথে কাজ করা শুরু করেন। ২০০১ সালে মরিসের মৃত্যুর পর ফ্রেঞ্চ শিল্পী Achdé লুকের ছবি আঁকতে থাকেন।

গল্পের প্রেক্ষাপট আমেরিকার ওল্ড ওয়েস্টে।এই সিরিজে প্রধানত আমাদের পশ্চিমের দুর্ধর্ষ বন্দুকবাজ লাকি লুককেই দেখা যায়, যে নিজের ছায়ার চেয়েও গতিবেগে গুলি চালাতে সক্ষম, সর্বদা সাথে থাকে জলি জাম্পার বা বাংলা অনুবাদে টরটরে টাট্টু। লুককে এই সিরিজে নানান ভিলেনদের সঙ্গে লড়তে দেখা গেছে,তার মধ্যে বেশ কিছু কাল্পনিক আর কিছু আমেরিকার ইতিহাস ও গল্পকাহিনীর বেশ কিছু চরিত্রের দেখা মিলেছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ডালটন ভাইয়েরা। গল্পগুলি হাস্যরসে পরিপূর্ণ যাতে পশ্চিমি সংস্কৃতির ছাপ লক্ষ্য করা যায়।


লাকি লুক  ইউরোপের সর্বাধিক পরিচিত ও সর্বাধিক বিক্রীত কমিক্স সিরিজের একটি।এটা ২৩টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে। ২০১৭ পর্যন্ত এই সিরিজে মোট ৮৩ টি অ্যালবাম আছে।  লুকের ৭০তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে অন্য শিল্পীদের তুলিতে আরও দুটো অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলায় লুকের চারটি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছিল শিশু সাহিত্য সংসদ থেকে। অনুবাদ করেছিলেন লীলা মজুমদার ও বাকি তিনটি হীরেন চট্টোপাধ্যায়। সেই অনুবাদ প্রসঙ্গ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা থাকবে আমাদের পরের পর্বে।



চতুর্থ অ্যালবামের বাংলা সংস্করণের প্রচ্ছদ

আজ আমরা যে গল্পটা পড়তে চলেছি সেটা মরিসের একক প্রচেষ্টার চতুর্থ অ্যালবাম "Under the Western Sky" থেকে নেওয়া হয়েছে।

এটি তিনটি গল্পের সংকলন। আপনার জন্য আজ থাকছে,তার মধ্যের দ্বিতীয় গল্পটি। অনুবাদ যথাসম্ভব আগের লুকের অনুবাদের মতোই সরস রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, বাকিরা আপনারা ভালো বলতে পারবেন।

* সমস্ত তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত।
** প্রথম ও দ্বিতীয় ছবিটি পশ্চিম আকাশের নিচে এর ইংরাজি ও বাংলা সংস্করণ এর ছবি।




আজ পড়ুন  পশ্চিম আকাশের নিচে এর প্রথম পর্ব শুধু মাত্র চিত্রচোর ব্লগে-



বিদ্রঃ এই কমিক্স অ্যালবামটি সব বয়সের পাঠকদের পড়ার উপযোগী।তাই নির্দ্বিধায় পড়ুন ও পড়ান। আর অনুবাদ কেমন হচ্ছে জানাতে ভুলবেন না যেন।


ডাউনলোড করুন

আগামী সপ্তাহে "পশ্চিম আকাশের নিচে" এর দ্বিতীয় পর্ব পড়তে চোখ রাখুন শুধুমাত্র চিত্রচোর ব্লগে...